Skip to content

জেগে ওঠো আবার বই: মিজানুর রহমান আজহারি

⌚Last Updated On: 20 February, 2024

ড. মিজানুর রহমান আজহারি বাংলাদেশের একজন জনপ্রিয় ইসলামিক স্কলার। তরুন এই ইসলামিক আলোচক আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তাফসির অ্যান্ড কুরআনিক সাইন্স ডিপার্টমেন্ট থেকে স্নাতক শেষ করেছেন। ইসলামিক আলোচনার পাশাপাশি তিনি অনলাইনেও লেখালেখি করেন। এছাড়াও তিনি ইদানিং বইও লিখতেছেন। তার প্রথম প্রকাশিত বই “মেসেজ” পাঠকমনে ব্যাপক সাড়াজাগাতে সক্ষম হয়। ২০২৪-এ তার দ্বিতীয় বই “জেগে ওঠো আবার” প্রকাশিত হয়েছে। আশা করা যায় জেগে ওঠো আবার বইটিও পাঠকমনে জায়গা করে নিতে সক্ষম হবে।

জেগে ওঠো আবার

জেগে ওঠো আবার

Key Specifications

বইয়ের নাম: জেগে ওঠো আবার
লেখক: ড. মিজানুর রহমান আজহারি
প্রকাশক: সত্যায়ন প্রকাশন
ভাষা: বাংলা
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২১৬
সংস্করণ: ১ম প্রকাশ, ২০২৪

সংক্ষিপ্ত রিভিউ

জেগে ওঠো আবার বইটি আপনাকে মহান রবের সাথে সম্পর্ক কিভাবে আরো গভীর করা যায় এ বিষয়ে অনুপ্রেরণা যোগাবে। আপনার মনে কি কখনো কুরআনের ভাষাগত সৌন্দর্য, ব্যাকরণ নিয়ে কৌতুহল জাগে? পূর্ববর্তী ইমামগণ কুরআনকে কিভাবে ব্যাখ্যা করতো বা কুরআন কি আমাদের দৈনন্দিন জীবন নিয়ে আলোচনা করে অথবা কুরআনে কি হিউম্যান সাইকোলজি নিয়ে কোনো আলোচনা রয়েছে- কখনো কি এ ধরনের প্রশ্ন আপনার মনে আসে?

যদি এ ধরনের প্রশ্ন আপনার মনে হরহামেশাই ঘুরপাক খায় তাহলে জেগে ওঠো আবার বইটি আপনার একবার পড়ে দেখা উচিত। বইটি পড়ে আপনার মনে হবে জ্যামে আটকে থাকা অবস্থায় ও কুরআন আপয়ান্র সাথে কথা বলতেছে অথবা অলস বসে থাকা অবস্থায় ও কে যেন আপনার কানে কুরআনের বাণী শুনিয়ে যাচ্ছে। জীবনকে কুরআনের আলোতে রাঙাতে, জীবনকে কুরআনের সাথে একাকার করতে চাইলে জেগে ওঠো আবার বইটি আপনার পথপ্রদর্শক হতে পারে।

জেগে ওঠো আবার বইয়ের কিছু অংশ পড়ে দেখুন:

অর্ধশত মানুষকে খুন করল। এ তো এক মস্তবড় খুনি! আরও যে খুন করবে না, তা কে জানে। পালিয়ে বেড়াচ্ছে সে। অবশেষে ধরা পড়ল জনতার হাতে। এ-খবর শুনে ছুটে এল নিহতদের পরিবার-পরিজন। রাগে-ক্ষোভে ফেটে পড়ছেন তারা। তাদের একটাই দাবি। ফাঁসি চাই ফাঁসি চাই। কিন্তু খুন তো করেছে ৫০ টা। অথচ ফাঁসি দেওয়া যাবে কেবল একবার। তাছাড়া কার খুনের বদলা হিসেবে ফাঁসি দেওয়া হবে সেটাও একটা প্রশ্ন। তাহলে সমাধান কি?
আবার ওঠানো হবে।
কিংবা ধরুন কেউ আপনার উপর জুলুম করল। ভয়াবহ জুলুম। কিন্তু কাকে শাস্তির আওতায় আনা গেল না। হয়তো আপনার লোকবল নেই। আদালতে দৌড়াতে দৌড়াতে জুতো ক্ষয় করার সময় নেই। উকিল ধরার মতো টাকা-করি নেই। নেতাদের ম্যানেজ করার সামর্থ্য নেই। তার মানে বেঁচে যাবে অপরাধী? তার কোন সাজা হবে না? অবশ্যই হবে। দুশ্চিন্তার কারণ নেই। সাজা তাকে পেতেই হবে। এইতো কিছুকাল পরেই।
আবার ওঠানো হবে।
হ্যাঁ, পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা অগনিতবার আমাদের এ-কথাই মনে করে দিয়েছেন। কিয়ামত আসবে। মানুষকে আবার ওঠানো হবে। প্রত্যেককে নিজ নিজ কাজ-কর্মের প্রতিদান দেওয়া হবে।

You May Like